হাঁটুর ব্যথা কোন পথে মস্তিষ্কে যায়
হাঁটুর চারপাশে কয়েকটি ছোট সংবেদী নার্ভ থাকে, যাদের জেনিকুলার নার্ভ বলে। হাঁটুর ক্ষয় বা প্রদাহ থেকে তৈরি ব্যথার সংকেত এই নার্ভগুলোর মাধ্যমেই মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এই নার্ভগুলোকে লক্ষ্য করলে জোড়ার ক্ষয় না সারলেও ব্যথা অনেকটা কমানো সম্ভব।
কুল RFA কী?
রেডিওফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশনে সুঁইয়ের মাথায় নিয়ন্ত্রিত তাপ দিয়ে নার্ভের ব্যথা বহনের ক্ষমতা কমানো হয়। কুল RFA-তে সুঁইয়ের ভেতর দিয়ে ঠান্ডা পানি প্রবাহিত হয়, ফলে সুঁইয়ের মাথা অতিরিক্ত গরম হয় না এবং চারপাশে তুলনামূলক বড় জায়গা জুড়ে কাজ করা যায়। এতে নার্ভ ঠিকমতো লক্ষ্যবস্তু হয় এবং ব্যথা নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকর হতে পারে।
কাদের জন্য উপযুক্ত
- হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিসে দীর্ঘদিনের ব্যথা, যা ওষুধ, ফিজিওথেরাপি বা ইনজেকশনে যথেষ্ট কমেনি
- যাদের বয়স বা অন্য রোগের কারণে নি-রিপ্লেসমেন্ট ঝুঁকিপূর্ণ
- যারা অপারেশন এখনই করতে চান না
- নি-রিপ্লেসমেন্টের পরও যাদের ব্যথা থেকে গেছে, নির্বাচিত ক্ষেত্রে
প্রসিডিউরের আগে ও পরে
সাধারণত প্রথমে একটি পরীক্ষামূলক জেনিকুলার নার্ভ ব্লক দেওয়া হয়। এতে ব্যথা যথেষ্ট কমলে কুল RFA করা হয়। পুরো প্রক্রিয়া লোকাল অ্যানেস্থেশিয়ায়, ইমেজ গাইডেন্সে করা হয় এবং রোগী একই দিনে বাড়ি ফেরেন। ব্যথা কমতে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে, আর উপকার অনেক মাস স্থায়ী হতে পারে।
ব্যথা কমার পর উরুর পেশির ব্যায়াম নিয়মিত করলে হাঁটুর কার্যক্ষমতা আরও ভালো হয়।
এই লেখাটি সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্যের জন্য। আপনার নিজের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।




