দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথা কেন সারে না
অনেক রোগী বছরের পর বছর ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে কোমর ব্যথা চাপা দিয়ে রাখেন। কিছুদিন ভালো থাকেন, আবার ব্যথা ফিরে আসে। এর প্রধান কারণ হলো ব্যথার আসল উৎস খুঁজে বের না করা। এই ভিডিওতে এমনই একজন রোগীর কথা শুনবেন, যিনি ৮–১০ বছর কোমর ব্যথায় ভুগছিলেন।
কোমর ব্যথার সাধারণ উৎস
- ডিস্ক সরে গিয়ে নার্ভে চাপ (PLID)
- ডিস্কের ক্ষয় বা পানি কমে যাওয়া
- মেরুদণ্ডের ছোট জোড়া (ফ্যাসেট জয়েন্ট) বা কোমর-নিতম্বের জোড়ার (SI জয়েন্ট) প্রদাহ
- পেশি ও লিগামেন্টের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা
সঠিক রোগ নির্ণয়ই প্রথম ধাপ
ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিনে রোগীর ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা ও MRI মিলিয়ে ব্যথার উৎস চিহ্নিত করা হয়। প্রয়োজনে ডায়াগনস্টিক ব্লক দিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় কোন জায়গা থেকে ব্যথা আসছে। এরপর সেই উৎস লক্ষ্য করে চিকিৎসা দেওয়া হয় — যেমন নার্ভ ব্লক, রেডিওফ্রিকোয়েন্সি, ওজোন বা PRP থেরাপি।
চিকিৎসার পর কী করবেন
- চিকিৎসকের দেওয়া ব্যায়াম নিয়মিত করুন
- ভারী জিনিস তোলার সময় কোমর না বাঁকিয়ে হাঁটু ভাঁজ করুন
- দীর্ঘক্ষণ এক ভঙ্গিতে বসে থাকবেন না
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
প্রত্যেক রোগীর অবস্থা আলাদা, তাই ফলাফলও ভিন্ন হতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের ব্যথা মানেই চিরস্থায়ী ব্যথা নয় — সঠিক কারণ খুঁজে চিকিৎসা করলে অনেকেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
এই লেখাটি সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্যের জন্য। আপনার নিজের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।




