মারাত্মক ক্ষয়ে কেন বিশেষ যত্ন দরকার
হাঁটুর ক্ষয় যত বেশি হয়, জোড়ার ভেতরের জায়গা তত কমে যায় এবং প্রদাহ ও ব্যথাও বাড়ে। এমন অবস্থায় যেকোনো ইনজেকশন নির্ভুলভাবে জোড়ার ভেতরে দেওয়া জরুরি, তাই আলট্রাসাউন্ড গাইডেন্স এখানে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
প্রসিডিউরের ধাপ
- রোগীর হাত থেকে রক্ত নিয়ে সেন্ট্রিফিউজ মেশিনে PRP তৈরি করা হয়।
- হাঁটুর চামড়া জীবাণুমুক্ত করে অবশ করা হয়।
- হাঁটুতে পানি জমে থাকলে প্রথমে তা বের করে নেওয়া হয়।
- আলট্রাসাউন্ড দেখে PRP জোড়ার ভেতরে দেওয়া হয়।
- কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর রোগী হেঁটে বাড়ি ফেরেন।
বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা
মারাত্মক ক্ষয়ে PRP হারানো কার্টিলেজ ফিরিয়ে আনে না। তবে অনেক রোগীর ক্ষেত্রে ব্যথা ও ফোলা কমে, হাঁটার দূরত্ব বাড়ে এবং সার্জারি পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। যাদের বয়স বা অন্য রোগের কারণে নি-রিপ্লেসমেন্ট ঝুঁকিপূর্ণ, তাদের জন্য এটি একটি সহায়ক বিকল্প হতে পারে। প্রয়োজনে জেনিকুলার নার্ভ রেডিওফ্রিকোয়েন্সির মতো চিকিৎসার সাথেও এটি মিলিয়ে ব্যবহার করা হয়।
কত ডোজ লাগে
সাধারণত কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে একাধিক ডোজ দেওয়া হয়। ঠিক কতটি লাগবে তা রোগীর অবস্থা ও প্রথম ডোজের পর উন্নতি দেখে চিকিৎসক ঠিক করেন।
চিকিৎসার পর
- প্রথম ১–২ দিন হাঁটুতে হালকা ব্যথা বা ভারী ভাব স্বাভাবিক
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কিছু ব্যথানাশক এড়িয়ে চলতে বলা হতে পারে
- উরুর পেশির ব্যায়াম নিয়মিত চালিয়ে যান
এই লেখাটি সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্যের জন্য। আপনার নিজের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।




